মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল গুলো কী জেনে রাখুন

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল সম্পর্কে আলোচনা করবো। তার আগে বলে নেই আপনাকে সালাম আসসালামু আলাইকুম। আপনি এটা জানেন তো সাস্থ্য হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া উপহার। তবে হ্যা যদি কোন কারনে আপনার সাস্থ্য হঠাৎ খারাপ হয়ে গেছে আপনার কোন রোগ কিংবা বদ অভ্যাসের কারনে তাহলে  আজকের আলোচনা আপনার জন্য। ভিটামিন বলুন আর ক্যাপসুল বলুন এগুলো দিয়ে কখনো স্থায়ীভাবে মোটা হওয়া যায় না।তবে আপনার  সাস্থ্য ভালো ছিলো কোন রোগের কারনে আপনি আপনার  শরীরে ভিটামিন এর ঘার্তি দেখা দিয়েছে সেক্ষেত্রে আপনি কিছু ভিটামিন  বা ক্যাপসুল খেতে পারেন যা খেয়ে আপনার  হারিয়ে যাওয়া সাস্থ্য ফিরে আসবে।মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল সম্পর্কে আলোচনা করবো আজকের এই প্রতিবেদনে। তবে শুধু ক্যাপসুল বা ভিটামিন ফাইল না এর পুরো বিস্তারিত আলোচনা করবো। মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

মোটা হওয়ার ভিটামিন সিরাপ,বেশ কিছু ওসুধের নাম,স্থায়ী ভাবে মোটা হবার কিছু ওসুধের নাম এবং এগুলোর উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করবো আজকের এই প্রতিবেদনে। আশা করছি আপনি এই পুরো লিখাটা পড়লে আপনার হারিয়ে যাওয়া ফিটনেস ফিরে পাবেন। এখন যে কুৎসিত লাগছে না আপনাকে সেটা আর থাকবে না।তাহলে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করি কিভাবে মোটা হওয়া যায় ভিটামিন ক্যাপসুল এর মাধ্যমে।

ভিটামিন এর নাম মোটা হওয়ার

মোটা হওয়ার ভিটামিন এর নাম বলতে গেলে যে কথা গুলো বলতে হয়।আপনি কি জন্ম থেকেই পাতলা আর যদি তাই হয়ে থাকেন তবে এসব পড়ে কোন লাভ নেই।যারা জন্মগত ভাবেই চিকন তারা আল্লাহ চাইলে এমনিই মোটা হয়ে যাবেন।বিয়ে পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।আর যদি কোন কারন বসত আপনার সাস্থ্য ইদানীং খারাপ হয়েছে তাহলে  আপনাকে ডাক্তার এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা এবং ওসুধ সেবন করতে হবে তবে আপনি মোটা হওয়ার জন্য মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল  গুলো আছে, যেমন সিনকারা,তবে সিনকারা শুধু মোটা হওয়ার জন্য নয় এটি শরীরে অন্য ভিটামিন  এর ঘারতি সহ পুরন করে।তবে এই সিরাপ খাওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসক এর সাথে পরামর্শ নিতে হবে।

সিনকারা খেলে সাস্থ পরিবর্তন হবে এবং এতে কোন সাইড ইফেক্ট নাই।মোটা হওয়ার জন্য কোন ভিটামিন, বা ক্যাপসুল খাওয়া মানে নিজের ক্ষতি নিজেই করা।মোটা হওয়ার জন্য আসলে এই সবের প্রয়োজন পড়ে না।নিয়মিত পুষ্টিকর ভালো খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে মোটা হওয়া যায়।না জেনে আমরা আমাদের এই ভুল গুলো করি বিভিন্ন ওসুধ খেয়ে।তবে অনেক সময়  আপনি অতিরিক্ত মোটা হয়ে যেতে পারেন।তাই এটি খাওয়ার আগে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতেই হবে।মোটা হওয়ার জন্য কোন প্রকার সিরাপ বা ফাইল কিংবা ওসুধ খাওয়া  একদম  ঠিক না।তবে হ্যা মোটা হওয়ার ভিটামিন হিসাবে সবচেয়ে  আদর্শ ওসুধ হচ্ছে সিনকারা সিরাপ।

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

আগেই বলেছি কোন ধরনের কোন ট্যাবলেট খাওয়া মানে নিজের ক্ষতি করা।মোটা হওয়ার জন্য কোন ভিটামিন বা ক্যাপসুল খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।মোটা হবার জন্য  যে ট্যাবলেট গুলো খাই আমরা সেগুলো সম্পর্কে কতটুকু জানি।কোন ডাক্তার কিন্তু মোটা হওয়ার জন্য কখনো কোন ওসুধ কিংবা ট্যাবলেট সাজেস্ট করে না।আপনি যেহেতু মোটা হতে চান আর এই জন্য  তো এই লিখা টা পড়ছেন তাহলে বলি শুনুন আপনি প্রতিদিন একটু বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খাবেন।খেতে ইচ্ছে না করলেও খাবেন।ঠিকমতো ঘুমাবেন।হস্তমৈথুনের মত কোন কাজ করবেন না।এবং রাত জেগে মোবাইল ব্যবহার করবেন না,মানসিক টেনশন থেকে বের হয়ে আসুন।আর বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো খাবেন আপনি এমনিতেই মোটা হয়ে যাবেন।আপনি আর এই ট্যাবলেট গুলো খেয়ে আপনি খুব দ্রুত মোটা হওয়ার পাশাপাশি খুব দ্রুত  আপনি আপনার  লিভার নষ্ট করতেছেন।এরকম ঘটনা অহরহ আছে।তাই আমি আপনাকে সাজেস্ট করছি আপনি আপনার  খাদ্যাতলিকা পরিবর্তন করুন এবং কিছু ঘরোয়া নিয়ম ফলো করুন দেখবেন  খুব দ্রত না হলেও স্থায়ী ভাবে সাস্থ মোটা হয়ে যাবে।

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

  • তাই এই ধরনের ট্যাবলেট খাওয়াবন্ধ করুন।আপনি শুধু শুধু এই কিছু ট্যাবলেট খেয়ে সাময়িক সময়ের জন্য মোটা হয়ে নিজের শরীরে রোগ প্রবেশ করানোর কোন দরকার নেই।মোটা হবার জন্য অনেক প্রকার ট্যাবলেট আছে যা খেলে আপনি রাতারাতি বলা চলে এক সপ্তাহের মধ্যে মোটা হয়ে যাবেন।আমি জানি এগুলো খাওয়া ক্ষতি তাই নাম উল্লেখ করে আপনার  ক্ষতির ভাগ নিতে চাই না।তাই বললাম না।আশা করি আপনি যদি প্রকৃতিক নিয়মে মোটা হতে চান তবে আমার সাজেশন গুলো মেনে চলুন মোটা হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ।

ঔষধের নাম মোটা হওয়ার

 

মোটা হওয়ার বেশ কিছু ওসুধ আছে। যা খেলে মোটা হয়ে যাবেন খুবই অল্প দিনে।তবে এই সকল ওসুধের নানান ধরনের সাইড ইফেক্ট রয়েছে।যা আপনার লিভার সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্ম দিতে পারে। তাই এই ওসুধ গুলো খাওয়ার আগে আপনাকে অবশ্যই চিকিৎসক এর সাথে পরামর্শ নিতে হবে।

 

মোটা হওয়ার ওসুধঃ

আমাদের শরীরে থাকা বিভিন্ন হরমোনের জন্য বিভিন্ন সমস্যা হয়।যার মধ্যে একটি হচ্ছে চিকন হয়ে যাওয়া।আবার মোটা হয়ে যাওয়া।মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল ।আজ পযন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞান এমন৷ কোন ওসুধ বানাতে পারে নি যা খেলে কেউ স্থায়ী ভাবে সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে মোটা হতে পারে।সোজা কথা হচ্ছে মোটা হওয়ার জন্য আলোপ্যাথিক কিংবা প্রকৃতিক কোন ধরনের কোন ওসুধ বা ট্যাবলেট নেই।তবে সাস্থ ফিট বা মুখে রুচি নিয়ে আসার জন্য  কিছু রুচির ফাইল রয়েছে। যা খেলে শরীরে হালকা মোটা হওয়া এবং শরীর ফিট রাখতে সাহায্য করে।তবে কোন ওসুধ আর ট্যাবলেট আবিষ্কার করতে না পারলেও এর কিছু সমাধান।যেগুলো মেনে  চললেই কোনপ্রকার ওসুধ খাওয়া  ছাড়াই আপনি মোটা হতে পারবেন।

কিছু কিছু মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি তারা তাদের ভ্যারাইটিজ এর মধ্যে কিছু ফাইল বের করেছে যা খেলে শরীরে যেই রোগের কারনে চিকন হয় মানুষ সেই রোগ গুলো ধ্বংস করে।এবং যা নিয়মিত কিছুদিন  খেলে শরীরের সাস্থে একটা পরিবর্তন  আসে।তাই আপনি চাইলে সেগুলো  টেষ্ট করতে পারেন।যে কম্পানি গুলো এই ধরনের প্রডাক্ট বানিয়েছেন তারা হলো।

★হার্মদদ,★স্ক্যয়ার,ইনসেপটা,ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল, ইবনেসিনা।এই কম্পানি গুলো যে প্রডাক্ট বানিয়েছেন সেগুলো  আপনি চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী খেতে পারেন।

স্থায়ী ভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ

খুব অল্প সময়ে যদি মোটা হতে চান তবে ওসুধের বিকল্প নেই। তার আগে আপনু এতক্ষন অবশ্যই ক্লিয়ার হয়েছেন অল্প সময়ে মোটা হয়ে আপনার  কি ক্ষতি হতে পারে।এখন আপনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিবেন আসলে আপনি কি করবেন।ওসুধ খাবেন কি না।তবে কিছু ওসুধের কথা বলছি যেহেতু ওসুধ  আপনি খাবেনই তাইবতো এত দূর পযন্ত পড়েছেন।আসুন যেনে নেই।

দ্রুত সময়ের জন্য যে তিনটি ওসুধ সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখে তার হচ্ছে ঃ

পিউটন সিরাপঃ

এটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনাকে মোটা তাজা করে ফেলতে  পারে।শারীরিক ভাবে ফিট হতে বেশ সাহায্য করে এই ফাইলটি।এই ফাইল টি আশেপাশে সব ফার্মেসি দোকানে পাবেন।৩৬০ টাকা বাজার মুল্য।তিবে আবার বলছি এই ধরনের ফাইল সেবন করার ফলে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তাই এগুলো  সেবন করার আগে ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন।

রুচিবেটঃ

মুখের রুচি না থাকার জন্য  যাদের শরীর শুকিয়া যাচ্ছে তাদের জন্য  এটি খুবই কার্যকারি।খাবারের প্রতি যার আগ্রহ একেবারে নাই।একবার একটু খেলে  যার সারাদিন  খাওয়ার কোন নাম থাকে না।তাদের জন্য  এই ফাইলটি।আপনি যদি ঠিক ভাবে খেতে না পারেন এবং এর জন্য  আপনি যতই ওসুধ খান না কেন আপনার মোটা হবার চাঞ্জ নেই হলেও স্থায়ী ভাবে নয়।ক্ষতি তো আছেই।তাই আপনি যেখানেই যান না কেন আপনাকে প্রথমে অতিরিক্ত খাদ্য গেল করার পরামর্শ দিবে।এখন কথা হলো আপনার খাওয়ার রুচি নেই তাই এই ফাইলটিবখেয়ে মুখের রুচি ফিরিয়ে নিতে পারবেন।এবং এর জন্য পরবর্তীতে বেশি খেয়ে সাস্থ্য ভালো করতে পারবেন।অর্থাৎ মোটা হতে পারবেন।

ড্রাগন ফল উপকারিতা বিস্তারিত আলোচনা

সিনকারাঃ

এই ফাইলটি সকলের চেনা।অনেকে এটা খায়। মোটা হবার জন্য যত ওসুধ আছে তারমধ্যে সবচেয়ে কার্যকারি।এই ফাইকটি শুধু খাবার রুচি নয় এটায় থাকা বিভিন্ন ভিটামিন শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি ঘারতি পুরন করতে সক্ষম।কেউ যদি মনে করে সে খাদ্য খেয়ে স্থায়ী ভাবে মোটা হবে।তাহলে তার জন্য এই ফাইলটি সবচেয়ে ভালো  এটি খাইলে মুখের  রুচি ফিরে আসবে এবং বেশি খেতে পারে।

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল 

এর অপকারিতা

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল এর অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো এখন।প্রথনে যখন  কোন ভিটামিন বা ক্যাপসুল খাই তখন আমাদের শরীরে বেশ ভালো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।এবং প্রথমে  মুখের রুচি বৃদ্ধি করে এবং পরে মোটা হবার জন্য যতেষ্ট কাজ কাজ করে এই ভিটামিন  এবং ক্যাপসুল গুলো।যখন ভিটামিন গুলো খাওয়া হয় তখন প্রচুর রকমের রুচি আসে খেতে মন চায় এবং সাস্থ্য ফুলে যায়।এবং চেহারা থেকে শুরু করে পুরো শরীর মোটা দেখা যায়।

কিন্তু এই ওসুধ গুলো খাওয়া শেষ হলে নানাবিধ সমস্যার দেখা দেয়।

প্রথমতঃ

যখন এই ওসুধ গুলো খাওয়া বন্ধ করবে তখন তার ভয়ানকভাবে অরুচি তৈরি হয়।তার খাওয়ার প্রতি কোন আগ্রহ থাকে না।খাবার দেখলেই তার মধ্যে বমি চলে আসে।কারন হচ্ছে এতদিন ভিটামিন খাওয়ার অভ্যাসের কারনে এখন আর খাবার ঠিকঠাক মত হজম হতে চায় না।ফলে তার যে সাস্থ্য এতদিন হয়েছিলো সেটা আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে।

দ্বিতীয়তঃ

প্রথমে ওসুধ খাওয়ার ফলে যে চামড়া টা টাইট ছিলো।শরীর ফোলা ছিলো সেটা যখন কমতে শুরু করে তখন একজন ব্যাক্তিকে রোগা রোগা লাগে।চেহারার সুন্দর্য একেবারে নষ্ট হয়ে যায়।এবং পরবর্তীতে শারীরিক কন্ডিশন একেবারে নিম্নমানের হয়ে যায়।যেটা একেবারে ভয়াবহ  একটা ব্যাপার।

তৃতীয়তঃ

তার যে শুধু সাস্থ্যটা কৃমন্বয় কমতে শুরু করেছে তা নয়।পাশাপাশি তার লিভার কিডনি এই সমগ্র সাইডে ক্ষতি হতে শুরু করে।আর লিভারের সমস্যা হবার কারনে যেটা হয় সেটি হলো খাবার দেখলেই বমি আসে।খাবারের অরতি কোন আগ্রহ থাকে না।হজমে গোলমাল। ক্ষুধা লাগে না।

চতুর্থঃ

এই ধরনের ব্যাক্তিদের মধ্যে আরেকটা বড় সমস্যা হচ্ছে এরা ভিটামিন জাতীয় ওসুধ গুলো খাওয়া বন্ধ করলে এদের হজম শক্তি এতটাই নষ্ট হয়ে যায় যে পুষ্টিকর কোন খাবার খেলে যেভাবে খাবে সেভাবেই পায়খানা করে দেয়।এধরণের নানাবিধ সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।অনেকের মাথা ব্যথা মাথা ভার মাথা ঝিমাচ্ছে এরম্ম সমস্যা লেগেই থাকে।

পঞ্চমঃ

এছাড়াও আরো বেশ কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয় যেমন পুরুষ মানুষ হলে তার সেক্সুয়ালি ক্ষতি হবে।আর মেয়ে মানুষ হলে তো চেহারার উজ্জ্বলতা নষ্ট এবং সাদা স্রাব এরকম অনেক গুলো সমস্যা দেখা দেয়।

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল

সম্পর্কে বিস্তারিত

মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল এর সম্পর্কে আপনার ফুল ধারণা চিলে এসেছে আসা করি।এখন আপনি কোন অবস্থায় আছে সেটা আপনি ভালো জানেন। যদি আপনি এখনো সিদ্ধান্ত নেন নি ওসুধ খেয়ে মোটা হবেন।তাহলে আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি প্রতিদিন খাওয়ার মাধ্যমে নিয়ম মেনে আস্তে আস্তে স্থায়ী মোটা হন।আর যদি আপনি উপরোক্ত কোন সমস্যার মধ্যে থেকে থাকেন।ওসুধ খাওয়ার পরে কোন ঝামেলায় আছে তাহলে এখন আপনার কি করনীয় সেটাও এখন বলছি।যদি আপনার সমস্যা গুরুতর না হয় তাহলে আপনি  এখান থেকে খুব সহজেই রিকভারি করতে পারবেন।সেক্ষেত্রে বেশ কিছু ওসুধ আছে সেগুলো খেলে আপনি রিকভার করতে পারেন।আবার ওসুধ ছাড়াও এই সমস্যা গুলো থেকে বের হয়ে আস্তে পারেন।

তাহলে এই সমস্যা গুলো  থেকে বেরিয়ে আসতে হলে করতে হবে যা।

মনোবলঃ

মনোবল হারাবেন না।সাস্থ্য চেহারা নষ্ট হলে অনেকে আছে যাদের মনোবল সহ নষ্ট হয়।অনেকে আছে তখন মানসিক ভাবে ভেজ্ঞে পরে।এই জিনিস টাই আগে ঠিক করতে হবে।যেন সে আগে থেকেই জানে তার এই সমস্যা হবে এবং এই সমস্যা গুলো থেকে বের হবার জন্য  তার কি করনীয়। এই ধরনের মনোবল দরকার হবে এই মুহূর্তে। তবে অবশ্যই এই ধরনের অবস্থা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব যদি সিম্পল অবস্থায় থাকে।

★বেশি খারাপ হলে অবশ্যই আপনাকে চিকিৎসা নিতে হবে।

অতি তাড়াতাড়ি মোটা হওয়ার উপায়

তাহলে এখন যেনে নেই এই অবস্থা থেকে বের হবার জন্য করনীয় গুলো কি।

মাথায় রাখতে হবে ভিটামিন গুলো খাওয়া বন্ধ হবার পর থেকে এমন হচ্ছে।তাহলে বুঝতে হবে সেই ওসুধের রিয়াকশন এখনো শরীরে কাজ করতেছে।তাই এই রিয়াকশন গুলো ধ্বংস করতে হবে।এখন আসি রিয়াকশন কাটানোর জন্য  কি করতে পারেন। আপনি এই রিয়াকশন কাটানোর জন্য মাঝে মাঝে তেতুলের শরবত কিংবা টক জাতীয় খাবার খাবেন।কেননা টক শরীরের বিষ নিরাময় করে।

তাই শেষ কথা বলতে চাই এতো রিস্ক নেওয়ার দরকার নেই।আপনি এই ধরনের ভিটামিন ক্যাপসুল থেকে বিরত থাকুন। জীবন সুন্দর রাখুন।চিকন হয়েছেন সেটার জন্য  তো আর আপনি দায়ি না।তাই আল্লাহ চাইলে আপনি এমনি সাস্থ্যবান হয়ে যাবেন।কোন ধরনের কোন সস্তা কিছু খেয়ে অল্প সময়ে মোটা হতে যাবেন না।যা আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক লেভেলের হুমকি ডেকে আনবে।

এরকম নিত্য নতুন বিউটি এবং হেলথ রিলেটেড টিপস এন্ড ট্রিকস পেতে ফলো করুন বিউটি হেলথ বিডি ফেসবুক পেইজে।

ধন্যবাদ।

সুত্র ঃ ইন্টারনেট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *