পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয় জেনে নেই

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয়

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয় জেনে নেই পিরিয়ড মেয়েদের একটু স্বাভাবিক ঋতু চক্র। সহবাস ও পিরিয়ডের মধ্যে একটা সম্পর্ক রয়েছে তা হলো সন্তান ধারণ। একজন নারীর পিরিয়ড না হলে গর্ভধারণ করতে পারবে না তেমনি সহবাস ছাড়া গর্ভধারণ সম্ভব নয়। তাহলে অনেকের মনে হতে পারে তাহলে কি পিরিয়ডের সময় সহবাস করা যায় নাকি যায় না। পিরিয়ডের সময় মেয়েদের জরায়ু অনেক দুর্বল থাকে তাই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে সহবাস করলে জরাযুর নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার যারা পিরিয়ডের সময় সহবার করতে চান তাদের জেনে রাখা ভালো যে পিরিয়ডের সময় যে রক্ত নারীর যৌনি দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে তা যদি পুরুষাঙ্গে লেগে যায় তখন নানা রকম রোগের সৃষ্টি হয় তাই সহবাস করতে হলে পিরিয়ডের আগে অথবা পরে করা ভালো।

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয়

তবে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে ঋতুস্রাব বা মাসিকের সময় মেয়েদের এই যৌন চাহিদা অনেক তাই ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড চলাকালীন সময় না থেকে পিরিয়ড ১/২ দিন পর থাকলে তারা অনেক বেশি তৃপ্তি পায়। পশ্চিমা দেশ গুলোতে এমন বিকৃত যৌনচাহিদা রয়েছে তারা পিরিয়ডের সময়েও যৌনকাজে লিপ্ত হয়ে থাকে তবে আমাদের দেশে এবং ইসলাম এটাকে জঘন্যতম অপরাদ বলে আখ্যায়িত করেছেন।   পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মেয়েদের অনেক পেটে ব্যাথা হয়,খেতে পারে না আবার অনেকের শরীর অনেক বেশি দুর্বল থাকে। পিরিয়ডের সময় মেয়েদের অনেক বেশি মুড সুইং হতে থাকে। এতে করে যখন তখন রেগে যায় এবং অকারণে কান্না  করে। তাই এই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে সহবাস না করে স্ত্রীর পাশে থাকুন তার বিশেষ যত্ন নিন এবং প্রয়োজনীয় জিনিস তাকে এনে দিন।

পিরিয়ডের সময় সহবাস করা যাবে নাকি যাবে না এটা নিয়ে অনেকের অনেক প্রশ্ন থাকে। তবে আমার কথা হলো পিরিয়ডের সময় কিন্তু খুব বেশিদিন থাকে না ৪-৫ অনেকের ক্ষেত্রে ৫/৭ এর বেশি থাকে না। তাই এই কয়টাদিন অপেক্ষা করাই যায়। পিরিয়ডের সময় স্ত্রীর সাথে সহবাস করা ছাড়া বাকি সবকিছু করতে পারবেন।

মাসিক বা  পিরিয়ড কী?

গড়ে ২৮ দিনের একটি মাসিক চক্রের অংশ এই রক্তস্রাব তবে ২১ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে মাসিক হলে সেটা স্বাভাবিক। মাসিকের প্রথম দিন থেকে এই চক্রটি শুরু হয়ে থাকে। এই চক্রের মধ্যে দুটি ওভারির মধ্যে একটিতে ফলিকলের ভেতরে একটি ডিম্বাণু কোষ পরিপক্ব হয়।  ইউটিলিটি টিউব থেকে বের হয়ে এটি জরায়ুর দিকে যাত্রা শুরু করে  এসময় শুক্রাণু সাথে মিলিত হলে এটি নিষিক্ত হয বা একজন নারী গর্ভধারণ করে।  একি সময়ে  জরায়ুতে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত হয় সেখানে মসৃণ ও সুন্দর কোষ সৃষ্টি হয় ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করার জন্য।  ডিম্বাণু কোষ যদি কোনো শুক্রাণুর সাথে মিলিত না হয় তাহলে জরায়ুর মসৃণ কোষের কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই শরীর এটাকে প্রাকৃতিক উপায়ের শরীর থেকে বের করে দেয়।  এবং পাশাপাশি ডিম্বাণু কোষটিকেও বের করে দেয়। আর এই বের করে দেওয়া যে প্রক্রিয়া এই পুরো প্রক্রিয়াকে মাসিক বলে। মাসিকের সময় একজন নারীর শরীর থেকে ৫০ থেকে ৬৫ মিলি লিটার  রক্তপাত হয়ে থাকে।

অনেকে মনে করে থাকেন হাত – পা কাটলে যেমন রক্ত বের হয় পিরিয়ডের সময় তেমন রক্ত বের হয় না কেনো। এর কারণ হলো পিরিয়ডের রক্তটা মুলত যৌনি পথের রস যা ডিম্বাণু ও কোষ গুলোর একটা মিশ্রণ।তাই এটা স্বাভাবিক রক্তের মত হয় না। তবে মাসিকের রক্ত এমন হবে এটাই স্বাভাবিক। মাসিকের  হয় কারণ আপনি গর্ভধারণ করেননি তাই। গর্ভধারণের জন্য জরায়ুতে যে কোষের সৃষ্টি করেছিলো কিন্তু আপনি গর্ভধারণ করেননি তাই শরীর এটাকে বাইরে বের করে দেয় তাই এটি স্বাভাবিক রক্তের মত হয় না। শরীরে কোষ ও গর্ভধারণের জন্য যে কোষ সৃষ্টি হয়েছিলো তার মিশ্রণ।

মাসিকের সময় অনেক বেশি পেটে ব্যাথা করে এটা কাল্পনিক নয় তবে এটা স্বাভাবিক ও বাস্তব। তবে অনেক বেশি পেটে ব্যাথার সাথে যদি অনেক বেশি রক্তপাত হয় তবে সেটা ভয়ের এরকম হলে ভালো গাইনি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

মাসিকের  সময় এই ব্যাথাটা হওয়া মুল কারণ হলো এই সময় জরায়ু সংকোচিত ও প্রসারণ করে কারণ জরায়ুতে থাকা অবাঞ্ছিত জিনিস গুলো বাইরে বের করে দিতে চায় তাই এই সময় পেটে অনেক বেশি ব্যাথা হয়।

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয়

পিরিয়ডের সময় সহবাস করলে কি হয়

পিরিয়ডের সময় স্বামীর করনীয়,

 

একজন নারীর মাসিকের সময় নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। একেকজনের একেক রকমের সমস্যা দেখা যেতে পারে। তবে কিছু কম জিনিস আছে যেগুলো কম বেশি সব মেয়েদেরি হয়ে থাকে যেমন পেটে ব্যাথা, মেজাজ খারাপ থাকা,নিশ্চুপ থাকা, নিজেকে সবার থেকে আলাদা করে রাখা এবং মুড সুইং হওয়া।

 

পিরিয়ডের এই সময়টাকে স্বামীদের কিছু দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। স্বামীদের উচিত এই সময়টাতে ত্র স্ত্রীর পাশে থাকা তাকে তার কাজে সাহায্য করা এবং তার প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো তাকে এনে দেওয়া।  পিরিয়ডের সময় একজন স্বামী কী কী করণীয় চলুন জেনে নেওয়া যাক।

 

পিরিয়ডের সময়  স্বামীর করণীয়।

 

পিরিয়ডে সময় মেয়েদের অনেক বেশি পেটে ব্যাথা হয়। এটি হওয়ার কারণ হলো জরায়ুতে থাকা অবাঞ্ছিত জিনিস গুলো বের করে দেওয়া জন্য জরায়ু সংকুচিত ও প্রসারিত হতে থাকে ফলে পেটে ব্যাথা হয়। তাই এই মাসিকের সময় স্বামীদের উচিত তার স্ত্রীকে গরম পানির সেক নিতে সাহায্য করা। স্ত্রীর যখন মাসিক শুরু হবে তখন স্বামীর দ্বায়িত্ব হলো পানি গরম করে ওয়াটার ব্যাগে করে এসে সেটা দিয়ে তার ব্যাথা কমানোর চেষ্টা করা।

 

. মাসিকের সময় নারীদের অনেক কিছু প্রয়োজন হয় সেগুলো আছে কি না খোঁজ নিয়ে এনে দেওয়া। মাসিক শুরু হলে বা তার আগে স্বামীর উচিত তার স্ত্রীর জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন অথবা প্যাড এনে দেও। এবং অনেক বেশি পেটে ব্যাথা হলে প্রয়োজন ডাক্তারের কাছে নেওয়া ও ডাক্তারর পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ কিনে এন দেওয়া।

 

. মাসিক চলাকালীন সময়ে মেয়েদের অনেক কিছু খেতে ইচ্ছে করে স্বামীদের উচিত তার এই সময় কি খেতে ইচ্ছে করছে সেটা শোনা এবং সেই জিনিসটা তাকে খাওয়ানো।

নরমাল ডেলিভারি হওয়ার লক্ষণ ডেলিভারি হওয়ার পর করণীয়

. মাসিকের সময় পেটে ব্যাথা হওয়ার কারণে কাজের অনেক সমস্যা হয় তাই স্বামীর  কর্তব্য হলো এই মাসিক চলাকালীন সময়ে তাকে ঘরের কাজে সাহায্য করা।এবং স্ত্রীকে ভাড়ি কাজ করতে না দেওয়া।

 

. পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মেয়েদের অনেক বেশি মুড সুইং হয়ে থাকে। এই সময় অল্পতে অনেক বেশি রাগ হয়। তাই স্বামীর এই বিষয়টাতে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।  যদি কেও নিজেকে গুটিয়ে নেয় বা চুপচাপ থাকে তবে তাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে হবে।

 

৬৷ মাসিকের সময় স্ত্রী বিশেষ যত্ন নিতে হবে। কারণ এই সময় মেয়েরা অনেক বেশি আবেগ প্রবণ থাকে তাই আপনার একটু অবহেলা তাকে মানসিক বা শারীর ভাবে অনেক ক্ষতি করে থাকে। তাই মাসিক চলাকালীন সময়ে স্বামী তার স্ত্রী প্রতি বিশেষ যত্ন নিবে। যদি স্বামী স্ত্রীর থেকে দুরে থাকে তবে বার বার ফোন দিয়ে অবস্থা কথা জানতে হবে।  মাসিকের সময় গরম খাবার খাওয়া ভালো এবং গরম পানি ব্যাবহার করা উত্তম তাই মাসিক চলাকালীন সময়ে স্বামীদের উচিত এসব কাজে স্ত্রীকে সাহায্য করা।

 

পিরিয়ডের কত দিন পর সহবাস করা যায়,

যেহেতু পিরিয়ড হচ্ছে ন্যাচারাল প্রসেস তাই এটির সম্পুর্ন  প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় ১৷ সপ্তাহ সময় লাগে।কারোর কারোর ক্ষেত্রে আরো কম বেশি হতে পারে।তাই আপনার নিজের উপর ডিপেন্ড করবে কতদিন পর সহবাস করা যাবে।আপনি যদি পুরুষ হিসাবে এটি জানতে চান তাহলে আপনি আপনার  স্ত্রীর থেকে শুনে নিবেন সে সম্পুর্ন ভাবে মাসিক প্রিয়ড থেকে সেরে উঠেছে কি না।আর যদি আপনি মেয়ে হয়ে থাকেন তাহলে  তো আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার পিরিয়ডের কি অবস্তা। আপনি যদি মনে করে থাকেন আপনি সম্পুর্ন ভাবে সুস্থ তাহলে  আপনি সহবাস করতে পারে।এই সময় সহবাস করলে এটাকে সেইফ সহবাস বলে।এই সময় সহবাসে সন্তান জন্ম হবার সম্ভাবনা খুব কম থাকে।তবে এভারেজ হিসাব অনুযায়ী পিরিয়ডের ৭ দিন পরে সহবাস করা যেতে পারে।তবে কারোর ক্ষেত্রে এটি অওম বেশি হতে পারে।পুরো ব্যাপার টা নির্ভর করে মাসিক সম্পুর্ন ভাবে ঠিক হয়েছে কি না।

পিরিয়ডের সময় সহবাস নিয়ে ইসলাম কি বলে,

একটি মেয়ে ১০ থেকে  ১৪ বছরের মধ্যে মাসিক শুরু হয় এবং ৪৫ থেকে ৫০/৫৫ বছর পর্যন্ত এই মাসিক চক্রেটি থাকে। পরিণত বয়সের পর একটি মেয়ে বিয়ে হয় এবং বিয়ের পর যখন মাসিক হয় তখন স্বামীর সাথে সহবাস করা যাবে না।

 

মাসিকের সময় স্ত্রীর সাথে সহবাস করাকে ইসলাম জঘন্য অপরাধ বলেছেন এবং এটি কবিরা গুনাহ।  কোরআনে সুরা বাকারার ২২২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ্ সুবহানাতালা এটাকে নোংরামি বলে অ্যাখায়িত করেছেন। আল্লাহ সুবহানাতালা আরো বলেছেন হায়েজের সময় অর্থাৎ মাসিকের এই সময় তোমরা স্ত্রী থেকে দুরে থাকো ও সহবাস করবে না। এরপরেও যদি কেও ভুল করে মাসিক চলাকালীন সময় স্ত্রী সহবাস করে ফেলে তাহলে তার করণীয় কী?

কোরআন ও হাদিসের আলোকে দুটি করণীয় জানা যায়।

. ক্ষমা চাওয়া

ভুল করে হোক কিংবা ইচ্ছে করে। যদি কেউ মাসিক চলাকালীন সময়ে স্ত্রীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হয় তাহলে এরকম জঘন্য অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হয়ে লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে৷ এবং ভবিষ্যৎতে এমন অপরাধ যাতে না হয় সেই জন্য দৃঢ় ভাবে সংকল্প করতে হবে অর্থাৎ ইস্তেগফার পড়তে হবে।

গর্ভাবস্থায় ডান পাশে ঘুমালে কি হয়

. দান করা।

মাসিক চলাকালীন সময়ে সহবাস করার ফলে এই অপরাধ থেকে মুক্তির জন্য নিজের উপর নিজে কিছু অর্থ দন্ড আরোপ করতে হবে। কাফফারা স্বরূপ  আল্লার রাস্তায় কিছু দান করতে হবে গরীব ও অভাবী মানুষকে। মুসা আহমেদের ভিতরে এই অর্থ দন্ডের বর্ণিত হয়েছে। আব্দুল আব্বাস( রাঃ) রসুল করিম (সাঃ) থেকে বলা হয়েছে  মাসিক অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে তিনি ১ দিনার  অথবা অর্ধ দিনার পরিমান যেনো আল্লাহর রাস্তায়  দান করেন। অর্থাৎ গরীব দুঃখীদের সাদাকা বা দান করে দেন। এই ১ দিনার অথবা অর্ধ দিনার সমপরিমাণ অর্থ দেওয়া আবশ্যিক নাকি ঐচ্ছিক  তা নিয়ে মতোবিরোধ রয়েছে। ঈমান আহমাদুল্লাহ্ হাম্মুর রহমানের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে তিনি এটাকে আবশ্যিক তথা ওয়াজিব বলেছেন তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ ওলামা একরামের মত হলো এটা ঐচ্ছিক  কেউ যদি এটাকে করে তবে ভালো মানে মোস্তাহাব  তবে না করতে পারলে কোনো সমস্যা নেই।  দিনার বা অর্ধ দিনার বিষয়টা বর্তমান সময়ে হিসাব করলে তার পরিমাণ কত হবে।

দিনার বলতে স্বর্ণমুদ্রাকে বলা হয়। ৪ গ্রাম  ও আরো ১ গ্রামের ১/৪ গ্রাম তথা সোয়া চার গ্রাম স্বর্ণ ২১ কেরেটকে ১ দিনার বলা হয়। আর অর্ধ দিনার বলা হয় ২ গ্রাম তথা ১ গ্রামের ৮ ভাগের ১ ভাগ স্বর্ণকে অর্ধ দিনার বলা হয়। কেউ যদি এই সমপরিমাণ আল্লার রাস্তায় দান করেন তবে সে এই দায় থেকে মুক্তি লাভ করবেন। তবে স্বর্ন দেওয়া সামর্থ্য না থাকলে যেকোনো অর্থ দান করলেও হবে।

পিরিয়ডের সময় সহবাসের বিকল্প নিয়ম,

পিরিয়ডের সময় সহবাসের কোন বিকল্প নিয়ম নেই।যদি কেউ মনে করেন এই সময়ে সেফটি নিয়ে বিকল্প ভাবে সহবাস করা যেতে পারে তবে সেটা সম্পুর্ন ভাবে ভুল।পিরিয়ডের সময়ের নারীদের লজ্জাস্থান প্রচন্ড ভাবে নরম হয়ে থাকে এই সময়ে তারা কোনভাবে এটাতে বেটার ফিল করবে না।তাই স্ত্রীর ভালোর জন্য হলেও এই সময়ে সহবাস না করা ভালো। আপনি কিছুদিন অপেক্ষা করুন।তারপর সহবাস করুন সেটাই বরং ভালো হবে।তাই পিরিয়ডের সময় সহবাসের কোন বিকল্প নিয়ম নেই। অযথা নিজের ক্ষতি করার কোন দরকার নেই।

সহবাসের কতদিন পর বাচ্চা পেটে আসে,

সহবাস, পিরিয়ড, এবং সন্তান একই সিস্টেম। একেকটা আরেকটার সাথে জরিত।সহবাস করার পরের পিরিয়ড মিস হলে সন্তান আসার সম্ভাবনা অনেক বেশি।তাই নিশ্চিত ভাবে কখনো বলা যায় না কত দিন পরে সন্তান পেটে আসে।যদি সন্তান কনসিভ হয়ে যায় তাহলে ১১-১৪ দিনকে গর্ভ ধারনের আদর্শ সময় বলা হয়ে থাকে।তবে কিছু মহিলার ক্ষেত্রে এর সময় মাস ও হতে পারে।যেহেতু এটি একটি ন্যাচারাল প্রসেস তাই এটি একেক জনের একেক সময়ে হয়ে থাকে।

সাধারণ মাসিক চক্রে জরায়ুর অন্তর্বর্তী লাইনিং ভ্রূণকে ধারন করার জন্য মোটা হতে থাকে। ভ্রূণের অনুপস্থিতিতে এই লাইনিং ভেঙে যায় এবং ঋতুস্রাব হয়। আপনি ঋতুস্রাবের কতদিন পর গর্ভবতী হবেন, তা আপনার মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করছে। সাধারণত, যেসব মহিলার ২৮ দিনে মাসিক চক্র সম্পূর্ণ হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে ১৪-তম দিনে ডিম্বস্ফোটন হয়।

 

ফিচার imageক্রেডিট

এরকম নিত্য নতুন সাস্থ্য এবং বিউটি রিলেটেড টিপস পেতে ফলো করুন আমাদের বিউটি হেলথ বিডি ফেসবুক পেইজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *